সানস্ক্রিন, ময়েশ্চারাইজার ও ভিটামিন সি সিরামের মতো প্রসাধনী ব্যবহার করেন ভারতীয় অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা। তবে তাঁর ত্বক ও চুলের যত্নের পেছনে রয়েছে পরিবারের কাছ থেকে শেখা কিছু ঘরোয়া অভ্যাসও। বিশেষ করে ত্বকের পরিচর্যায় মায়ের পরামর্শ মেনে চলেন তিনি।

রাশমিকার ভাষ্য অনুযায়ী, তাঁর দাদি বিভিন্ন ঘরোয়া উপাদান দিয়ে চুলের জন্য বিশেষ ধরনের মাস্ক তৈরি করতেন। অন্যদিকে, ত্বকের যত্নে মা চন্দন ও কাঁচা হলুদ বেটে মুখে লাগানোর পরামর্শ দিতেন। সেই অভ্যাস এখনো ধরে রেখেছেন অভিনেত্রী।

ত্বকের পরিচর্যায় চন্দন ও হলুদের ব্যবহার দীর্ঘদিনের। হলুদে থাকা কারকিউমিনের প্রদাহবিরোধী ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য রয়েছে। অন্যদিকে, চন্দন ত্বকের তৈলাক্ত ভাব নিয়ন্ত্রণ ও ত্বককে সতেজ রাখতে সহায়ক হতে পারে। তবে এসব উপাদান সবার ত্বকে একইভাবে কাজ করে না।

প্রাকৃতিক উপাদান হলেও হলুদ বা চন্দন ব্যবহারে কারও কারও অ্যালার্জি কিংবা ত্বকে জ্বালাপোড়ার সমস্যা হতে পারে। রাশমিকারও কিছু খাবারে অ্যালার্জি রয়েছে। আলু, শসা, টমেটো ও ক্যাপসিকাম তাঁর খাদ্যতালিকায় নেই বলে জানিয়েছেন তিনি। তাই ঘরোয়া উপাদান ব্যবহারের ক্ষেত্রেও সতর্ক থাকা জরুরি।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, মুখে হলুদ-চন্দনের মিশ্রণ ব্যবহারের আগে ত্বকের ছোট একটি অংশে পরীক্ষা করে নেওয়া ভালো। হাতের ভেতরের অংশে বা কানের পেছনে সামান্য মিশ্রণ লাগিয়ে ২৪ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণ করা যেতে পারে। এ সময় লালচে ভাব, চুলকানি বা জ্বালাপোড়া দেখা দিলে ব্যবহার বন্ধ করতে হবে। সমস্যা না হলেও সংবেদনশীল ত্বকে নতুন কোনো উপাদান ব্যবহারের আগে সতর্ক থাকা প্রয়োজন।

ঘরোয়া উপাদান মানেই সবার জন্য নিরাপদ—এমন ধারণা ঠিক নয়। তাই অন্য কারও রূপচর্চার অভ্যাস অনুসরণ করার আগে নিজের ত্বকের ধরন ও সংবেদনশীলতা বিবেচনায় নেওয়াই ভালো।