নওগাঁ-৩ (মহাদেবপুর–বদলগাছী) আসনের সংসদ সদস্য ফজলে হুদা বাবুলকে ঘিরে দেওয়া বিএনপির নেতার বক্তব্যে জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। এনিয়ে মহাদেবপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি রবিউল আলম বুলেটের বক্তব্যটি সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। তবে উপজেলা বিএনপির এক অংশের বক্তব্য- এমপির বিষয়ে দেওয়া বক্তব্যটি অসত্য। নেতাকর্মীরা বলছেন-সংসদ সদস্য নেতাকর্মীদের নিয়ে বিভিন্ন দলীয় কার্যক্রম পরিচালনা করেন। এমপি নেতাকর্মীদের বিষয়ে আন্তরিক। নেতা কর্মীরা সুখে-দু:খে তাকে পান।
সংসদ সদস্যকে ঘিরে অভিযোগ প্রকাশের পর ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা পোস্ট, ভিডিও ও মন্তব্য ছড়িয়ে পড়েছে। এসব বক্তব্যকে কেন্দ্র করে নওগাঁ-৩ আসনের জনসাধারণের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। মহাদেবপুর-বদলগাছী এলাকার সাধারণ মানুষের একটি অংশ মনে করেন, দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের মতো গুরুতর অভিযোগ উত্থাপন করা হলে তার পক্ষে সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণও থাকা প্রয়োজন। শুধু মৌখিক বক্তব্য, ভিডিও কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টের ভিত্তিতে কাউকে অপরাধী হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে রবিউল আলম বুলেট সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে ব্যাংক ড্রাফট, খাদ্যগুদামকেন্দ্রিক আর্থিক অনিয়ম এবং কাজ সম্পন্ন না করেই বিল উত্তোলনের অভিযোগ তোলেন।
অভিযোগের বিষয়ে সংসদ সদস্য ফজলে হুদা বাবুল বলেন, রাজনীতিতে থাকলে মানুষ অনেক কথা বলবে। যার কাছে অডিও বা বক্তব্য রয়েছে, তিনি প্রমাণসহ জাতির সামনে আসুন। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের স্বাধীনভাবে অনুসন্ধান করে প্রকৃত ঘটনা প্রকাশের আহ্বান জানান তিনি।
জনসাধারণের প্রত্যাশা-অভিযোগ নয়, সামনে আসুক প্রকৃত তথ্য:
মহাদেবপুর-বদলগাছীর জনসাধারণের প্রত্যাশা, রাজনৈতিক বিরোধ কিংবা দলীয় মতপার্থক্য যেন এলাকার উন্নয়ন, জনস্বার্থ ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলার ওপর নেতিবাচক প্রভাব না ফেলে। কোনো অভিযোগ থাকলে তা যথাযথ তথ্য-প্রমাণসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করা হোক।