গত ২২ বছরের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ ফলাফল হয়েছে ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায়। এবার পাসের হার ও জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা—দুই ক্ষেত্রেই বড় ধরনের পতন ঘটেছে। বিশেষ করে ইংরেজি ও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ে বেশি শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হওয়ায় সামগ্রিক ফলাফলে এর প্রভাব পড়েছে।

শিক্ষা বোর্ডগুলোর তথ্য অনুযায়ী, এবারের পরীক্ষায় শুধু ইংরেজি বিষয়ে ফেল করেছেন ২ লাখ ৪৩ হাজার ৫২৮ জন শিক্ষার্থী। অন্যদিকে আইসিটিতে অকৃতকার্য হয়েছেন ১ লাখ ৩৮ হাজার ৪৯৩ জন। এই দুই বিষয়ে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীর অকৃতকার্য হওয়ার বিষয়টি ফলাফলের অবনতির অন্যতম কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অংশ নেন মোট ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ জন শিক্ষার্থী। তাঁদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন। সে হিসাবে এবার সম্মিলিত পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন। অথচ গত বছর এই সংখ্যা ছিল ৬৯ হাজার ৯৭।

এদিকে এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের জন্য পুনরায় পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন জানিয়েছেন, এসব শিক্ষার্থীকে আবার পরীক্ষায় বসার সুযোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ লক্ষ্যে আগামী এক মাসের মধ্যে পরীক্ষা আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় সমন্বয় ও প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীরা নতুন করে ফল উন্নয়নের সুযোগ পাবেন।